Templates by BIGtheme NET

বৈশাখে নিজেকে দেখুন স্নিগ্ধরূপে

লাইফষ্টাইল ডেস্ক : কেমন হবে বৈশাখের সকালের সাজের ধরন? পয়লা বৈশাখের সকালের মৃদু বাতাসে নিজেকে স্নিগ্ধরূপে দেখতে কে না চায়? এক্ষেত্রে যে বিষয়টি তরুণীদের ভাবায়, সেটি বৈশাখের সকালের সাজ। পয়লা বৈশাখের প্রথম প্রহরে সাজের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন রুপবিশেষজ্ঞ গীতিবিল্লাহ। তার মতে, বৈশাখ মানে তো আমাদের কাছে সাদার শুভ্রতা।

সেই শুভ্রতাকে একটা বিশেষ স্নিগ্ধরূপে নিয়ে যেতে একটু দরকার নিজের যত্ন নেয়া।মাথায় দিতে পারেন ফুলের তাজ। উৎসবের এই দিনকে আরও বেশি মোহনীয়তা দিতে মাথায় ফুলের তাজের তুলনা হয় না। আর যাদের ছোট চুল তারা টার্সেল দিয়ে লম্বা বেণি করে সঙ্গে গোলাপ, গাঁদা, গাজরা, বেলি কিংবা জুঁই ফুলের মালা লাগাতে পারেন।

একটু ফেসিয়াল করে আমরা আমাদের মুখের ত্বকটাকে পরিষ্কার করে নিলাম। সঙ্গে করতে পারি পেডিকিউর-মেনিকিউর। সেই সঙ্গে চুলে একটু প্রোটিন ট্রিটমেন্ট। চাইলে বাড়িতে বসেই এই যত্নগুলো আমরা করে নিতে পারি। বৈশাখের প্রহরে বের হবার আগে কেউ যদি মেকআপ করতে চান তবে সেটা অয়েল ফ্রি করাই ভালো। এখানে ফাউন্ডেশন কিংবা ফেস পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো।

boishakh-2

এই আবহাওয়ায় ম্যাট ফাউন্ডেশন ভালো কাজ করবে। তবে যেহেতু সময়টা প্রখর রোদের,তাই অবশ্যই বাইরে বের হবার আগে সিনস্ক্রিন লাগাতে হবে।মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ভালোভাবে মুছে নিতে হবে। সব ধরনের ত্বকে মেকআপ লাগানো যায়। মেকআপ লাগানোর পর খেয়াল করতে হবে এটা ঠিকমতো ত্বকের সঙ্গে বেল্গন্ডিং হয়েছে কিনা।

ত্বক টোন করার জন্য টোনার ব্যবহার করতে হবে। পরবর্তীতে মুখে ব্যবহার করতে হবে ময়েশ্চারাইজার। এর ৫ মিনিট পর সানস্ক্রিন বা ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে। বাইরে যেহেতু একটু চড়া রোদের মুখোমুখি পড়তে হবে তাই ইচ্ছে করলে মুখে একটু বেশি পরিমাণে পাউডার লাগাতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে এই পাউডার যেন মুখের ত্বকের সঙ্গে মিশে যায় খুব ভালোমতো।

পারলে মেকআপের এই সময় মুখে একটু পানি স্প্রে করে নিবেন। তাহলে মুখ ঘামার আর কোনো ঝামেলা থাকবে না। এবার ব্লাশন দিয়ে চিকবোন হাইলাইট করার পালা। ব্লাশন যেন হালকা হয় সেই খেয়াল রাখতে হবে। তাতে আপনার ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলে যাবে। যাদের গায়ের রঙ ফর্সা তারা লাল, মেরুন, গোলাপি ব্লাশন ব্যবহার করতে পারেন।

আর বাদামি ব্লাশন ব্যবহার করবেন যাদের গায়ের রঙ একটু চাপা তারা। মনে রাখতে হবে সাজের ক্ষেত্রে চোখের সাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা আপনার চেহারাকে একটু আলাদা লুক দেয়। চোখের শ্যাডোটুকু হবে শাড়ি কিংবা পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে। শ্যাডো ভালোভাবে চোখের সাজের সঙ্গে মিলে গেলে ব্যবহার করবেন আইলাইনার। তারপর মাশকারা। চোখের নিচের পাতায় একটু কাজলের ছোঁয়া। এবার আসি ঠোঁটের সাজের ক্ষেত্রে।

পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে ঠোঁটে ব্যবহার করুন লিপস্টিক। বৈশাখের পোশাকে যেহেতু লালের বাহার বেশি, তাই ব্যবহার করতে পারেন লাল লিপস্টিক। লিপস্টিক লাগানোর ক্ষেত্রে ঠোঁটের আকৃতি বুঝে সেই অনুযায়ী ঠোঁট আঁকতে হবে, এরপর পছন্দমতো পড়ে নিতে হবে লিপস্টিক। শাড়ির সঙ্গে যে অনুষঙ্গটি না হলেই নয়, তা হলো টিপ।

বৈশাখে সাজের সঙ্গে কপালে মাঝারি বা বড় করে পরতে পারেন লাল টিপ অথবা লাল, সাদা, সবুজ মিলিয়ে দিতে পারেন কুমকুম টিপও। রিনিঝিনি কাঁচের চুড়িতে এবার না হয় ভরে উঠুক হাত দুটি। শাড়ির সঙ্গে চুলের সাজে বেণি বা খোঁপা করাটা বেশ মানানসই। খোঁপাভর্তি বেলি ফুলের মালা বা গাজরা, গোলাপ অথবা পছন্দমতো ফুল গুঁজে দিতে পারেন।

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful